গ্রীষ্মের ভ্রমণে মেনে চলুন কিছু নিয়ম

শীতকালে ভ্রমণ আর গরমকালে ভ্রমণের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। শীতের সময়ে সাধারণত ভ্রমণগুলো খুব আনন্দের হয়ে থাকে। আবহাওয়া উত্তপ্ত না থাকাটা এর অন্যতম কারণ। কিন্তু গরমে প্রচন্ড ঘাম আর সূর্যের চোখ রাঙানিতে ভ্রমণ করতে গেলে কিছুটা বিরক্ত লাগে। কিন্তু ঘুরতে যাওয়া তো তাই বলে বন্ধ করা যাবে না। তাই গরমে ঘুরতে যাওয়ার আগে কিছু বিষয় সতর্ক থাকা ভালো। চলুন দেখে নেয়া যাক সেরকম কিছু সতর্কতা।

স্থান নির্বাচনঃ এমন জায়গা বেছে নিন যা এই সময়ের জন্য উপযুক্ত। সমুদ্রে এখন অফ সিজন হলেও এই সময়ের একটা ভিন্ন রকম আনন্দ আছে। আর সবচেয়ে মজা হল সেখানে কোন গরম নেই। সমুদ্র তীরবর্তী আবহাওয়া সবসময় থাকে নাতিশীতোষ্ণ।

ভ্রমণের সময়ঃ যাত্রা পথে বেছে নিন রাতের ভ্রমণ। রাতে পথঘাট ফাঁকা থাকে। জ্যামের জঘন্য গরম এড়ানো যায় সহজে। রাত দিনের তুলনায় অনেক ঠান্ডা। ভোরের দিকে তো শীতই লাগবে আপনার।

পানি পানঃ প্রচুর পানি পান করুন। পথের বিরতিতে অবশ্যই টয়লেটে যাবেন। এতে অনেক ফ্রেশ লাগবে। গরম কম লাগবে।

গোসলঃ ভ্রমণে প্রতিবার বের হওয়ার আগে গোসল করে নিন। ফিরে এসে গোসল করব, এমন ভাববেন না। গরম সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন তাহলে। আর পানির সুব্যবস্থা না থাকলে অন্তত হাতমুখ ধুয়ে নিন।

পোশাকঃ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় এই পোশাক নির্বাচন। শুধু আরামের দিকে নজর দিন। এমন পোশাক নিন যা অস্বস্তিকর নয়, পরে ইচ্ছামত ঘুরে বেড়ানো যায়, কাপড়ের ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করে আর গরম ধরে রাখে না।

খাবারঃ আমরা প্রায়ই খেয়াল না করে এমন সব খাবার খাই যার কারণে গরমে আরও বেশি কষ্ট পেতে হয়। ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন। নিজেকে আরাম দিতে কোল্ড ড্রিঙ্কস পান না করে পানি পান করুন। রাস্তার খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন। রিচ ফুড যেমন বিরিয়ানি, তেহারি কিংবা খিচুড়ি জাতীয় খাবার এড়িয়ে সাদা ভাত এবং রুটি খেতে অভ্যস্ত হোন।

উপরোক্ত এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার ভ্রমণটি এই গরমেও হবে আনন্দময় এবং উপভোগ্য। তাই ভ্রমণে গিয়ে খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলোতে। হ্যাপি জার্নি

এ জাতীয় আরও প্রবন্ধ